দিবসে জ্বলে পাড়াপড়শীর গুঞ্জনে,


বৈধব্য বেদনা

(8. Widowhood pain) নির্মাণ: ১২/০৫/২০১৮, নরসিংদী ভ্রমণের সময় পথে
রাগিণী:
তাল:



কখনো ভুলে না বিধবা,
পতি মরার দিনটা,
কয় দিনে করে মাস গণনা,
কে রাখে তার সংবাদটা।



দিবসে জ্বলে পাড়াপড়শীর গুঞ্জনে,
নয়নের জলে ভিজে নিশিতে নির্জনে,
কতজন করে চোখ ইশারা,
কতজনে চাই সেবাটা।



কেউ নিয়ে যেতে চায় চিড়িয়াখানা,
আবার কেউ দেখাতে চায় সিনেমা,
বিধিমত বিয়ে না করে, সবাই চায় লীলাটা।



মাস্তুতো পিস্তুতো ভাই বা দেবর,
তারা যোগাযোগ রাখে বরাবর,
নিবারণ নিষেধ মানে না,
ছাড়ে না তার পিছুটা।




বিধবার ঘরে নিমন্ত্রণ খাওয়া,
যেমন বানরকে মাথায় নেওয়া,
বিধবা কাউকে দেখাতে পারে না,
বক্ষ ফেঁড়ে হৃদয়টা।

গীতিকার কলিমুল্লাহ হক

বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৮

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #ধ্যান #সাধনা #আত্মজাগরণ #রূপকগান


👉 কখনো ভুলে না বিধবা | বলনকাঁইজি আধ্যাত্মিক শিক্ষা

সমবেত বলন

(10. Assembled Bolon) নির্মাণ: ভাড়া বাসা, ঋষিপাড়া, পূর্ব জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী: —
তাল: —


কাঁইয়ের ধ্বজা ধররে সবাই,
কাঁইয়ের ধ্বজা ধর,
শ্বেতবরণ কোপনি পরে,
মরার আগে মর।


মানব করণী সেরেসুরে,
মরার আগে যেজন মরে,
যমে আর ছুঁয় না তারে,
মুক্তি পায় ভবের পর।


শোলা যেমন জলে ডুবে না,
মরা তেমন আর মরে না,
এসব কথা জানতে মনা,
সাধক-গুরুর চরণ ধর।


পেয়ে ধন হারাই যেজন,
কেবল তার হয় রে মরণ,
বিনয়ে কয় কাঁইজি বলন,
পেয়েছে সে মরার বর।


গীতিকার কলিমুল্লাহ হক

বলন তত্ত্বাবলী ৩৬০

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #ধ্যান #ভক্তি #আত্মজাগরণ #সাধনা

👉 কাঁইয়ের বসতবাড়ি নাইরে ভুবনে | বলনকাঁইজি আধ্যাত্মিক দর্শন

কাঁইয়ের বসতবাড়ি

(11. Kai's homestead is not in the earth)
নির্মাণ: ভাড়া বাসা, পশ্চিম জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:

কাঁইয়ের বসতবাড়ি নাইরে ভুবনে,
গড়ে এই নিখিল সংসার, বিরাজ করে কোনখানে?

চার কারের আগে সেথায়,
কিরূপ ছিল দয়াল গোঁসাই,
কে তারে আনল ধরায়,
কোন যজ্ঞে কী সাধনে।

পঞ্চ ভূতে জগৎ সৃজন,
কোন ভূতে হয় কাঁইয়ের গঠন,
তত্ত্বভেদ জানো গোপন,
শুধিয়ে বিজ্ঞ জনে।

বৃন্দাবনে কিরূপ ছিল,
মথুরায় সে কিরূপ হলো,
বলন কয় জানো ভালো, 

দেখবে কাঁই সামনে।



বলন তত্ত্বাবলী ৩৬১

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #সংসার #স্রষ্টা #ধ্যান #আত্মজাগরণ


আল্লাহর কিতাব কোনো কাগজে নয়— আল্লাহর কিতাব জাগ্রত মানুষ! গীতিকার মো: কলিমুল্লাহ হক

জ্ঞান হীন অপরাধ হওয়াও অপরাধ! 
আল্লাহর কিতাব কোনো বাজারি পুস্তক নয়
যেটা হাতে ধরলেই হেদায়েত নিশ্চিত।
আল্লাহর কিতাব হলো—
উত্তম মানুষ।
যার বিবেক মরে গেছে,
যার চিন্তা ভাড়া দেওয়া,
যার বুদ্ধি অন্যের হাতে বন্দী—
সে হাজার কিতাব বয়ে বেড়ালেও
সে কিতাব বোঝে না।
শয়তান কোথায়?
মাটির নিচে না, আকাশে না—
মানুষের অসত্য চিন্তার মধ্যেই শয়তান।
অজ্ঞতা = শয়তান
পাপপ্রবৃত্তি = ইবলিশ
এই সত্য বুঝতে না পারাই
সবচেয়ে বড় পথভ্রষ্টতা।
আজ শয়তান আর আগুনের তৈরি দানব নয়—
সে বক্তৃতা দেয়, ফতোয়া বানায়,
মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে
বিধানের নামে দাস বানায়।
আল্লাহর নামে কথা বলে
আল্লাহকে বাদ দেওয়ার এই খেলাই
সবচেয়ে বড় প্রতারণা।
যে বলে—
“কোরআনের বাইরে তুমি কিছু নও”
সে আসলে বলে—
“তোমার বিবেক দরকার নেই।”
এইখানেই শয়তানের বিজয়।
আজ যারা প্রশ্ন করলে কুফর বলে,
বিবেক জাগালে ফিতনা বলে—
তারাই ইবলিশের সফল প্রতিনিধি।
এই কথা বললেই বলা হবে—
“তুমি এটা মানো না, ওটা মানো না।”
হ্যাঁ।
আমি অন্ধত্ব মানি না।
আমি মানুষত্বের বিরুদ্ধে কোনো বিধান মানি না।
কারণ আল্লাহর কিতাব কোনো কাগজে নয়—
আল্লাহর কিতাব জাগ্রত মানুষ।

বলন দর্শন

বলন দর্শন

'বলন দর্শন' বলতে মূলত আধ্যাত্মিক গুরু ও লেখক বলন কাঁইজি লেখা ও চিন্তাধারাকে বোঝানো হয়, যা আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, আধ্যাত্মিকবিদ্যা, দিব্যজ্ঞান ও নরত্বারোপের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। 

এটি একটি বিশেষ আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চিন্তাধারার নাম, যা  বলন কাঁইজি প্রণীত বিভিন্ন লেখা ও কাজের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছে।  

বলন কাঁইজি এবং তার দর্শন প্রণেতা: বলন কাঁইজি নিজই  এবাং তিনি একজন মহাসাধক, লেখক, গবেষক, এবং আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।  

বিষয়বস্তু: তার দর্শন বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক তত্ত্ব নিয়ে গঠিত, 

যার মধ্যে রয়েছে: আত্মদর্শন ও 

আত্মতত্ত্ব: নিজের স্বরূপ ও সত্তার গভীর অনুসন্ধান।  

দেহতত্ত্ব: শরীর ও এর আধ্যাত্মিক দিক সম্পর্কিত জ্ঞান।  

আধ্যাত্মিকবিদ্যা ও দিব্যজ্ঞান: আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও উচ্চতর উপলব্ধি।  

নরত্বারোপ: মানুষ ও তার দেবত্ব সম্পর্কিত ধারণা।  

প্রচলন: বলন কাঁইজির দর্শন সাধারণত ফেসবুক এবং বিভিন্ন প্রকাশনা, যেমন রকমারি.কম-এর মাধ্যমে প্রচার ও আলোচিত হয়। 

তার লেখাগুলো, যেমন 'ত্বরিক্বত দর্শন', এই দর্শন চর্চার অংশ।  

সংক্ষেপে, 'বলন দর্শন' হলো বলন কাঁইজির আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চিন্তাভাবনার একটি সমন্বিত রূপ, যা মানুষের আধ্যাত্মিক বিকাশ ও আত্ম-উপলব্ধির পথ নির্দেশ করে।



আল্লাহর কিতাব জাগ্রত মানুষের হৃদয়!

এবার স্পষ্ট বলি—ভুল বুঝলে দায় তোমার।
আল্লাহর কিতাব কোনো বাজারি পুস্তক নয়
যেটা হাতে ধরলেই হেদায়েত নিশ্চিত।
আল্লাহর কিতাব হলো—
উত্তম মানুষ।
যার বিবেক মরে গেছে,
যার চিন্তা ভাড়া দেওয়া,
যার বুদ্ধি অন্যের হাতে বন্দী—
সে হাজার কিতাব বয়ে বেড়ালেও
সে কিতাব বোঝে না।
শয়তান কোথায়?
মাটির নিচে না, আকাশে না—
মানুষের অসত্য চিন্তার মধ্যেই শয়তান।
অজ্ঞতা = শয়তান
পাপপ্রবৃত্তি = ইবলিশ
এই সত্য বুঝতে না পারাই
সবচেয়ে বড় পথভ্রষ্টতা।
আজ শয়তান আর আগুনের তৈরি দানব নয়—
সে বক্তৃতা দেয়, ফতোয়া বানায়,
মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে
বিধানের নামে দাস বানায়।
আল্লাহর নামে কথা বলে
আল্লাহকে বাদ দেওয়ার এই খেলাই
সবচেয়ে বড় প্রতারণা।
যে বলে—
“কোরআনের বাইরে তুমি কিছু নও”
সে আসলে বলে—
“তোমার বিবেক দরকার নেই।”
এইখানেই শয়তানের বিজয়।
আজ যারা প্রশ্ন করলে কুফর বলে,
বিবেক জাগালে ফিতনা বলে—
তারাই ইবলিশের সফল প্রতিনিধি।
এই কথা বললেই বলা হবে—
“তুমি এটা মানো না, ওটা মানো না।”
হ্যাঁ।
আমি অন্ধত্ব মানি না।
আমি মানুষত্বের বিরুদ্ধে কোনো বিধান মানি না।
কারণ আল্লাহর কিতাব কোনো কাগজে নয়—
আল্লাহর কিতাব জাগ্রত মানুষ।

✍️গীতিকার মো:কলিমুল্লাহ হক 

👉 কৃষ্ণ বিনা কিছু ভালো লাগে না | বলন গীতি

রাধার মন উচাটন

(6. Mind anxiety of Radha) নির্মাণ: ০৭/০৫/২০১৮, ভাড়া বাসা, মুসলিম নগর, মাতুয়াইল, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:



একি হলো সখী বলো না,
মন কেন উদাসী হলো,
বলো সখী বলো,
কৃষ্ণ বিনা কিছু ভালো লাগে না।


আজ নিধুবনে কে এলো হায়,
কার বাঁশির সুর শোনা যায়,
রাধার নামে কেনো বাঁশি বাজে,
মন বসে না কোনো কাজে,
মন কোনো বারণ মানে না।


সব সখী একত্র করো,
আর যে দেরী সহে না।।
বলো কুজা বৃন্দা কোথায়?
জলকে যাবো এখন যমুনায়,

তাড়াতাড়ি বলো বিরজাকে,
জল ফেলে কলস আনতে,
এই কথা কাউকে বলো না।
বলন কয় রাধার মন উচাটন,
কোনো প্রবোধ মানবে না।।
কৃষ্ণ বিনা কিছু ভালো লাগে না


বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৬

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #কৃষ্ণ #ধ্যান #ভক্তি #আত্মজাগরণ

ইসলামে জন্মান্তরবাদ

কোরআন ভিত্তিক ইসলামে জন্মান্তরবাদ – জীবন-মৃত্যুর পুনঃসৃষ্টি

কোরআন ভিত্তিক ইসলামে জন্মান্তরবাদঃ জীবন-মৃত্যু ও পুনঃসৃষ্টির চক্র

ভূমিকা

ইসলামে জন্মান্তরবাদ বা পুনর্জন্ম প্রসঙ্গ নিয়ে বহু প্রশ্ন ওঠে। যদিও কোরআনে সরাসরি "জন্মান্তর" শব্দ ব্যবহৃত হয়নি, তবে জীবন-মৃত্যু, কবর, পুনঃসৃষ্টি ও কর্মফলের পুনরাবৃত্তি সম্পর্কিত বহু আয়াত পাওয়া যায়। এই ব্লগে আমরা কোরআনের আলোকে জন্ম-মৃত্যুর চক্র, দুইবার মৃত্যু ও দুইবার জীবন, বরযখ, কর্মফল এবং পুনঃসৃষ্টির ধারণা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো।

ইসলামে জন্মান্তরবাদের ধারণা

কোরআন বলে, মানুষকে প্রথমে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করা হয়, পরে শুক্রবিন্দু থেকে, আলাক আকারে মাতৃগর্ভে, তারপর শিশুরূপে জন্ম। মৃত্যুর পর মানুষকে পুনরায় জীবিত করা হবে। এভাবে জীবন-মৃত্যু-পুনঃসৃষ্টি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া (সূরা-হজ ৫, সূরা-ফাতির ১১)।

কোরআনে জীবন-মৃত্যুর চক্র

  • মৃত্যু → কবর → পুনঃজীবন → বিচার → পুরস্কার/শাস্তি → পুনঃসৃষ্টি
“তোমাদেরকে মৃত্যু থেকে জীবন্ত করেছেন। আবার তোমাদেরকে মৃত্যু ঘটাবেন ও পুনরায় জীবন্ত করবেন।” (সূরা-বাকারা ২৮)

দুইবার মৃত্যু ও দুইবার জীবন

সূরা-গাফির (৪০:১১) এ বলা হয়েছে: “তুমি আমাদেরকে দুইবার মৃত্যু ঘটালে এবং দুইবার জীবন দান করলে।” এ থেকে বোঝা যায় যে মানুষের জীবন ও মৃত্যু একাধিকবার সংঘটিত হয়, যা পুনঃসৃষ্টির ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত।

বরযখ ও অন্তরাল

কোরআন বলছে, মৃত্যুর পরে পুনঃজীবনের পূর্ব পর্যন্ত মানুষকে একটি অন্তরালে রাখা হয়।

“তাদের সম্মুখে থাকবে বারযখ, পুনরুজ্জীবনের দিন পর্যন্ত।” (সূরা-মুমিনুন ১০০)

বরযখ মানুষের জন্য শাস্তি বা সংশোধনের একটি পর্যায়, যেখানে পূর্বজীবনের স্মৃতি আর থাকে না।

কর্মফল ও পুনঃসৃষ্টি

কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ ন্যায় বিচার করেন এবং প্রত্যেককে তার কর্ম অনুসারে প্রতিদান দেন (সূরা-ইউনুস ৪)।

যদি কেউ সৎকর্ম না করে পশুর মতো আচরণ করে, তবে তাকে পশুর আকৃতিতে পুনঃসৃষ্টি করা হতে পারে (সূরা-আরাফ ১৬৬, সূরা-বাকারা ৬৫)। আবার যারা নিষিদ্ধ কাজ করে, তাদের নতুন রূপ বা সাদৃশ্য আকৃতিতে সৃষ্টি করা হতে পারে (সূরা-ওয়াকিয়া ৬১)।

মানুষ থেকে পশুরূপে অবতরণ

“আমি তোমাদেরকে সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছি, কিন্তু কর্মফলে তোমাদেরকে হীনতাগ্রস্তদের হীনতায় পরিণত করি।” (সূরা-ত্বীন ৪-৫)

এ থেকে বোঝা যায়, কর্মফলের কারণে মানুষ তার মর্যাদা হারিয়ে পশু আকৃতি পেতে পারে।

শেষ বিচারের পরিণতি

  • প্রথম শিঙ্গায় ফুৎকার দিলে সবাই মৃত্যুবরণ করবে। (সূরা-যুমার ৬৮)
  • দ্বিতীয় শিঙ্গায় ফুৎকার দিলে সবাই পুনর্জীবিত হবে। (সূরা-আবাসা ২২, সূরা-ইনফিতার ৪)
  • কবর থেকে সবাই প্রভুর দিকে ছুটে যাবে এবং বিচার দিবসের মুখোমুখি হবে। (সূরা-হজ ৭)

এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত—জান্নাত বা জাহান্নাম। (সূরা-হুদ ১০৬-১০৭)

উপসংহার

কোরআনের আলোকে জীবন-মৃত্যু-পুনঃসৃষ্টি এক চক্রের মতো চলতে থাকে। মৃত্যু শেষ নয়, বরং নতুন জীবনের সূচনা। কর্মফলই নির্ধারণ করে কে কোন অবস্থায় পুনঃসৃষ্টি হবে। তাই ইসলামের শিক্ষা হলো—সৎকর্মে জীবন যাপন করা, যাতে শেষ বিচারে জান্নাত লাভ করা যায়।

FAQs

ইসলামে জন্মান্তরবাদ স্বীকৃত কি?

সরাসরি জন্মান্তর শব্দ নেই, তবে জীবন-মৃত্যু ও পুনঃসৃষ্টির পুনরাবৃত্তি কোরআনে বর্ণিত।

মৃত্যুর পরে কি সঙ্গে সঙ্গে বিচার হয়?

মৃত্যুর পর মানুষ বরযখে থাকে। বিচার হবে কেয়ামতের দিনে।

কর্মফলের কারণে কি মানুষ পশু হতে পারে?

হ্যাঁ, কিছু আয়াতে উল্লেখ আছে যে কর্মদোষে মানুষকে পশুর রূপ দেওয়া হয়।

দুইবার মৃত্যু ও দুইবার জীবন কী বোঝায়?

এটি মানুষের পুনঃসৃষ্টি প্রক্রিয়া এবং আল্লাহর বিচার ব্যবস্থার অংশ।