বলন গীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বলন গীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

👉 কৃষ্ণ বিনা কিছু ভালো লাগে না | বলন গীতি

রাধার মন উচাটন

(6. Mind anxiety of Radha) নির্মাণ: ০৭/০৫/২০১৮, ভাড়া বাসা, মুসলিম নগর, মাতুয়াইল, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:



একি হলো সখী বলো না,
মন কেন উদাসী হলো,
বলো সখী বলো,
কৃষ্ণ বিনা কিছু ভালো লাগে না।


আজ নিধুবনে কে এলো হায়,
কার বাঁশির সুর শোনা যায়,
রাধার নামে কেনো বাঁশি বাজে,
মন বসে না কোনো কাজে,
মন কোনো বারণ মানে না।


সব সখী একত্র করো,
আর যে দেরী সহে না।।
বলো কুজা বৃন্দা কোথায়?
জলকে যাবো এখন যমুনায়,

তাড়াতাড়ি বলো বিরজাকে,
জল ফেলে কলস আনতে,
এই কথা কাউকে বলো না।
বলন কয় রাধার মন উচাটন,
কোনো প্রবোধ মানবে না।।
কৃষ্ণ বিনা কিছু ভালো লাগে না


বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৬

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #কৃষ্ণ #ধ্যান #ভক্তি #আত্মজাগরণ

👉 কাঁই কাঁইরে মজার | বলন গীতি


জলশূন্য খাল

(9. Empty water canal) নির্মাণ: ভাড়া বাসা, পশ্চিম জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী: —
তাল: —


কাঁই কাঁইরে (মজার),
খাল কেটেছে ভারি কৌশলে,
একবিন্দু জল নাইরে খালে,
কাপড় ভিজে ঝাঁপ দিলে।


আকাশে হয় ভাটা জোয়ার,
কূল ভাঙে পাতালে তার,
ঢাকা নগরের অবাক ব্যাপার,
টার্মিনাল মহাখালে।



সাড়ে নয় ক্রোশ গভীর খালে,
আট আঙ্গুলী বৈঠা ফেলে,
সুরসিক সব যায় রে কূলে,
অরসিক ডুবে জলে।



দেখে খালের তর্জন গর্জন,
কত সাধু হয় অচেতন,
ভেবে কয় কাঁইজি বলন,
দৌড় মারে সকল ফেলে।
কাঁই কাঁইরে মজার | বলনকাঁইজি আধ্যাত্মিক রূপক
কাঁই কাঁইরে মজার | বলনকাঁইজি আধ্যাত্মিক রূপক


বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৯

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #সংসার #স্রষ্টা #ধ্যান #আত্মজাগরণ

আজ নিশি বাহিরে কাটাও ❤ বলন গীতি

বলন গীতি

ভূমিকা

বলন কাঁইজির গীতিগুলো ভক্তি, প্রেম ও আধ্যাত্মিক সাধনার গভীর প্রকাশ। “নিশি বাহিরে কাটানো” গীতিতে আছে রাধা–শ্যামের প্রেম, ভক্তির আকুলতা এবং লীলার প্রতীকী ব্যাখ্যা। এখানে রাধার ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের আত্মার প্রতীক্ষার রূপক, যা ঈশ্বরপ্রেম ছাড়া পূর্ণ হয় না।


কবিতা

নিশি বাহিরে কাটাও
লেখক: মহাধীমান ❤ বলন  কাঁইজি
বলন তত্ত্বাবলী | দ্বিতীয় অধ্যায় | ২ নং বলন গীতি

আজ নিশি বাহিরে কাটাও (শ্যাম রায়), বাতায়নে নক না করে ফিরে যাও, ফিরে যাও ফিরে যাও। কোন মায়াবীর ছলানায় ভুলে, কোনবা ফুলে ঘুমিয়ে ছিলে, কেন এতো দেরি করলে, সেই কথা রাধাকে জানাও। লীলার পাগল লীলার তাড়না, লীলার জন্য করো ছলনা, লীলা ছাড়া প্রেম বোঝ না, তাই বুঝি আমায় কাঁদাও। আমি তোমার দাসের দাসী, হাজার বছর চেয়ে আছি, বলন কয় আজও কাছাকাছি, তোমায় না পেলাম তাও।

আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা

রাধার প্রতীক্ষা ও আত্মার ব্যাকুলতা

কবিতায় রাধার আকুলতা মানুষের আত্মার প্রতীক, যা শ্যাম–ঈশ্বরপ্রেম ছাড়া পূর্ণ হয় না। “আজ নিশি বাহিরে কাটাও” আসলে সেই আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।

লীলা ও প্রেম

বলন কাঁইজি বলেছেন—লীলা ছাড়া প্রেম বোঝা যায় না। অর্থাৎ ঈশ্বরপ্রেম আসলে এক চিরন্তন লীলা, যেখানে ভক্ত ও ঈশ্বরের মিলন ঘটে।

ভক্তির চরম আকাঙ্ক্ষা

“আমি তোমার দাসের দাসী, হাজার বছর চেয়ে আছি”—এ পংক্তি ভক্ত আত্মার অসীম ধৈর্য ও প্রত্যাশাকে তুলে ধরে।


উপসংহার

“নিশি বাহিরে কাটানো” কেবল প্রেমের গান নয়, বরং ভক্তির গভীর সাধনার প্রতীক। বলন কাঁইজি এখানে মানুষের আত্মা ও ঈশ্বরপ্রেমের সম্পর্ককে রাধা–শ্যামের প্রতীকে প্রকাশ করেছেন।


FAQs

প্রশ্ন ১: “নিশি বাহিরে কাটানো” গীতির মূল শিক্ষা কী?
👉 ভক্ত আত্মার আকুলতা কেবল ঈশ্বরপ্রেমেই শান্তি পায়।

প্রশ্ন ২: লীলার প্রতীকী অর্থ কী?
👉 লীলা হল ঈশ্বরপ্রেমের চিরন্তন খেলা, যা ছাড়া সত্যিকারের প্রেম উপলব্ধি হয় না।

প্রশ্ন ৩: কেন বলন কাঁইজির গীতিকে আধ্যাত্মিক ধন বলা হয়?
👉 কারণ তাঁর গীতিগুলো মানুষের আত্মাকে সংসারী মোহ থেকে মুক্ত করে ভক্তি ও প্রেমের পথে জাগ্রত করে।

আজ নিশি বাহিরে কাটাও ❤ বলন গীতি
আজ নিশি বাহিরে কাটাও ও শ্যাম রায়


#বলনকাঁইজি #বলনগীতি #আধ্যাত্মিকতা #ভক্তি #লীলা #রাধা #শ্যাম #বলন_গীতি #bolonphilosophy #bolonkaiji #bolondorshon #bolonblog

👉 কারবা আশায় রইলে চকোর | বলন কাঁইজি আধ্যাত্মিক শিক্ষা

সংসারের মিথ্যা আশা

ভূমিকা

মানুষ সংসারের মোহে আটকে থেকে ভক্তি ও সাধনার পথ থেকে বিচ্যুত হয়। বলন কাঁইজি তাঁর গীতির মাধ্যমে মনে করিয়ে দেন—সংসারের মিথ্যা আশা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু সত্যিকারের মুক্তি লুকিয়ে আছে ভক্তি, সাধনা ও গুরুর আশ্রয়ে। এই আলোচনায় থাকবে কবিতা “সংসারের মিথ্যা আশা” ও তার আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা।


কবিতা

সংসারের মিথ্যা আশা
(13. The false hopes of the domestic life)
নির্মাণ: ভাড়া বাসা, ঋষিপাড়া, পূর্ব জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা

কারবা আশায় রইলে চকোর, কারে ভালোবেসে, দিন ফুরাল বেলা গেল,
সংসারের আশে। করলে না সাধন ভজন, কার ছায়ায় দাঁড়াবে এখন, ভেবে দেখো সব অকারণ, সায়াহ্নে এসে। দিন গেলে আর কী পাবে, বিষয় সবই পড়ে রইবে, সাধুর সঙ্গ কবে নিবে, চরণ পরশে। অখণ্ড ধামের অটলতরী, বেয়ে চলো তাড়াতাড়ি, বলন কয় গুরুর বাড়ি,
দেখবে কাছে।

বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৩

👉 কারবা আশায় রইলে চকোর | বলন কাঁইজি আধ্যাত্মিক শিক্ষা
https://bolonphilosophy.blogspot.com



আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা

সংসারের মায়া ও ক্ষণস্থায়িত্ব

কবিতায় বলা হয়েছে—“দিন ফুরাল বেলা গেল, সংসারের আশে।” অর্থাৎ সংসারী মোহ ও বস্তুগত আশা জীবনের শেষ মুহূর্তে অর্থহীন হয়ে যায়।

সাধনা ও গুরুর আশ্রয়

“করলে না সাধন ভজন, কার ছায়ায় দাঁড়াবে এখন”—এখানে বলন কাঁইজি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভক্তি ও সাধনা ছাড়া জীবনের শেষ সময়ে কারও আশ্রয় মিলবে না।

অখণ্ড ধামের অটল তরী

এটি মুক্তির প্রতীক। গুরুর চরণধূলি ও সাধু-সঙ্গই আত্মাকে নিয়ে যায় সেই অখণ্ড ধামের পথে।


উপসংহার

বলন কাঁইজির গীতি “সংসারের মিথ্যা আশা” মানুষকে সংসারের ক্ষণস্থায়ী আশা থেকে মুক্ত হয়ে ভক্তি, সাধনা ও গুরুর চরণে আত্মসমর্পণের শিক্ষা দেয়। এ কবিতায় আছে আত্মজাগরণের সুর ও মুক্তির বার্তা।


প্রশ্ন ১: “সংসারের মিথ্যা আশা” কবিতার মূল শিক্ষা কী?

👉 সংসারের মোহ ক্ষণস্থায়ী; মুক্তি আসে ভক্তি ও সাধনার মাধ্যমে।

প্রশ্ন ২: গুরুর বাড়ি এখানে কী প্রতীক বোঝায়?
👉 গুরুর আশ্রয় মানে সত্যিকারের আধ্যাত্মিক পথ ও মুক্তির দিশা।

প্রশ্ন ৩: বলন কাঁইজির গীতির বিশেষত্ব কী?
👉 তাঁর গীতিগুলো সংসার, ভক্তি ও আত্মজাগরণের গভীর দর্শন প্রকাশ করে।

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #সংসার #ভক্তি #ধ্যান #bolonphilosophy

কার বাসরে নিশি কাটাও – বলন কাঁইজির গান


কার বাসরে নিশি কাটাও – বলন কাঁইজির আধ্যাত্মিক সাধনা ও ভক্তির গান

কার বাসরে নিশি কাটাও – বলন কাঁইজির আধ্যাত্মিক সাধনা ও ভক্তির গান

আধ্যাত্মিক সাধনা ও ভক্তির পথে বলন কাঁইজির গানগুলি শুধু কবিতা নয়, এগুলো ভক্ত হৃদয়ের একেকটি সুর। “কার বাসরে নিশি কাটাও” গানে ভক্তির আকুলতা, প্রেমের ব্যাকুলতা এবং রাধা–শ্যামের অনন্ত লীলা ফুটে উঠেছে।

মূল কবিতা

কার বাসরে নিশি কাটাও,
লীলাতে মজে, গো শ্যাম রাধারে ভুলে।

ঝিরিঝিরি দখিনে সমীরণ,
উথলে ওঠে প্রেম শিহরণ,
তোমার আশায় দিবস কাটাই,
বাতায়ন খুলে।

কোন বিনোদিনী কলঙ্কিনী,
তোমায় কুহকে করেছে মোহিনী,
কোন পাষাণে রও কোনখানে,
লীলাতে মজে।

বেঁধে আমার মনটা কষি,
হাজার বছর থাকব বসি,
বলন কয় রাধার কান্না, শুনছি বসে।
(বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৪)

কার বাসরে নিশি কাটাও – বলন কাঁইজির গান
বলন কাঁইজি

বিশ্লেষণ

  • ভক্তির আকুলতা: ভক্ত অপেক্ষা করে শ্যামের জন্য, অথচ শ্যাম অন্য লীলায় মগ্ন।
  • প্রেমের ব্যথা: রাধার কান্না শোনা যায়, যা ভক্ত হৃদয়ের সাথে মিলে যায়।
  • আত্মজাগরণ: ভক্তির যাত্রায় ঈশ্বর–অন্বেষণের পথচলা।

আধ্যাত্মিক শিক্ষা

  1. প্রেম ছাড়া সাধনা অসম্পূর্ণ।
  2. ভক্তি মানে অপেক্ষা ও সমর্পণ।
  3. আধ্যাত্মিক লীলায় ঈশ্বর সবসময় উপস্থিত, যদিও মনে হয় তিনি দূরে।

সমাপ্তি

বলন কাঁইজির গান আমাদের আত্মজাগরণ ও ভক্তির পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। এই গান শুধু ভক্তিমূলক কবিতা নয়, বরং এক আধ্যাত্মিক সাধনার দিশারি।

Tags: #বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #ভক্তি #সাধনা #RadhaKrishna #Spirituality #BolanDarshan #আত্মজাগরণ

কার বাসরে নিশি কাটাও, বলন কাঁইজির আধ্যাত্মিক গান | বলন তত্ত্বাবলী

অন্যের বাসরে রাত কাটানো

(14. Spend the night at another's bridal chamber)
নির্মাণ: ২৪/০৪/২০১৪, ভাড়া বাসা, ৯৬ মুসলিম নগর, মাতুয়াইল, ডেমরা, ঢাকা

কার বাসরে নিশি কাটাও, লীলাতে মজে, গো শ্যাম রাধারে ভুলে। ঝিরিঝিরি দখিনে সমীরণ, উথলে ওঠে প্রেম শিহরণ, তোমার আশায় দিবস কাটাই, বাতায়ন খুলে। কোন বিনোদিনী কলঙ্কিনী, তোমায় কুহকে করেছে মোহিনী, কোন পাষাণে রও কোনখানে, লীলাতে মজে। বেঁধে আমার মনটা কষি, হাজার বছর থাকব বসি, বলন কয় রাধার কান্না, শুনছি বসে।
কার বাসরে নিশি কাটাও
কার বাসরে নিশি কাটাও



আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ও বলন দর্শন

প্রেম ও ভক্তির যোগ

কবিতায় “অন্যের বাসর” প্রতীকী অর্থে ব্যবহার হয়েছে—এটি পার্থিব ভোগ, আসক্তি ও মোহের প্রতীক। মানুষ যখন ভক্তি ও প্রেম ভুলে পার্থিব মোহে মগ্ন হয়, তখন আসল আত্মজাগরণের পথ হারিয়ে যায়।

রাধা-শ্যামের প্রতীকী অর্থ

  • শ্যাম (কৃষ্ণ): চিরন্তন ঈশ্বরপ্রেম

  • রাধা: ভক্ত আত্মা

  • অন্যের বাসর: মায়ামোহ ও সংসারী বিভ্রান্তি

বলন কাঁইজি এখানে বোঝাতে চেয়েছেন, ভক্তির আলোয় আত্মা যেন আসল মিলনের পথে ফিরে আসে।

আত্মজাগরণ ও সাধনা

কবিতার শেষ অংশে বলা হয়েছে, “রাধার কান্না শুনছি বসে”—অর্থাৎ ভক্ত আত্মার আকুল ডাক কখনো বৃথা যায় না। সাধনার পথ ধরে সত্যিকারের প্রেম ও আত্মজাগরণ সম্ভব।


উপসংহার

বলন কাঁইজির গীতি “অন্যের বাসরে রাত কাটানো” কেবল একটি প্রেমকবিতা নয়; এটি ভক্তি, প্রেম ও আধ্যাত্মিক জাগরণের এক অনন্য সাধনার দিকনির্দেশনা। এখানে প্রতিটি শব্দই আত্মার মুক্তি ও ভক্তির প্রতীক।

👉 একদিন ভেঙে খসে পড়বে এই হাওয়া ভবন | বলনকাঁইজির আধ্যাত্মিক শিক্ষা


হাওয়া ভবন

(Wind building)
নির্মাণ: ১৬/০৩/২০১৮, ভাড়া বাসা, মুসলিম নগর, মাতুয়াইল, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী: —
তাল: —



একদিন ভেঙে খসে পড়বে
এই হাওয়া ভবন (পাগন মন),
কার জন্য সাজাও এত করে যতন?


তিনশত এমপি মন্ত্রী আর বসবে না,
তিনশত ষাট আমলা কেউ থাকবে না,
আত্মীয় স্বজন বন্ধু-বান্ধব, করবে না যতন।।


সহপাঠী সহকর্মী কেউ সংবাদ নিবে না,
ধন সম্পদ ব্যাংকের জমা কাজে আসবে না,
পুত্র-কন্যা আপন স্ত্রী, ক্ষণেক করবে মাতম।।


ও মন সঠিক অঙ্ক করতে করো না হেলা,
তাড়াতাড়ি শেষ করো এই মায়ার খেলা,
সংসারে কেউ কারো নয়, বিনয়ে কয় বলন।।


👉 একদিন ভেঙে খসে পড়বে এই হাওয়া ভবন | বলনকাঁইজি আধ্যাত্মিক শিক্ষা
হাওয়া ভবন



বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৫

👉 চাঁদেই বিশ্ব জ্যোতির্ময় | আধ্যাত্মিক রূপক ব্যাখ্যা

 

চাঁদে চাঁদ উদয়

(20. The moon rises between the moon)
নির্মাণ: ভাড়া বাসা, পশ্চিম জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:



চাঁদ হয়েছে চাঁদে উদয়,
চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহণ,
চাঁদেই বিশ্ব জ্যোতির্ময়।


আপন গর্ভে রেখে পতি,
সব অনূঢ়া হয় গর্ভবতী,
জলের মাঝে জ্বলছে বাতি,
আকাশে বসে কাঁই।


হিন্দুরা কয় কাশীধামে,
মুসলমানরা কয় মদিনে,
চাঁদের উদয় হচ্ছে দিনে,
রাতে সে চাঁদ গুপ্ত রয়।


ননি খেতে মদনচোরা,
আপন বুকে মারল ছোরা,
বলন কয় কেমন গোরা,
ভেবে অন্ত নাহি পায়।



বলন তত্ত্বাবলী ৩৭০

#আধ্যাত্মিকতা #বলনকাঁইজি #ধ্যান #চাঁদ #আত্মজাগরণ #সুফিবাদ


👉 উড়ে উড়ে যাও কোকিল প্রাণ বন্ধুয়ার বাড়ি | আধ্যাত্মিক গান


কোকিল দ্বারা সংবাদ প্রেরণ

(7. Sent news by cuckoo) নির্মাণ: ভাড়া বাসা, ঋষিপাড়া, পূর্ব জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী: —
তাল: —

উড়ে উড়ে যাও কোকিল প্রাণ বন্ধুয়ার বাড়ি,
নেচে নেচে গাও কোকিল প্রাণ বন্ধুয়ার সারি,
আমার মনের কথা কইও তারে, কইও বক্ষ ফাঁড়ি।


আগে জানি না কোকিল বন্ধু নিঠুরে,
মধুর মধুর কথা বলে মন নিয়েছে কেড়ে,
ফাঁকি দিয়ে পাষাণ বন্ধু, আমায় গেছে ছাড়ি।


যাবার কালে বলে গেছে মাথার কিরা দিয়ে,
ও সে আমায় নিয়ে খেলব পাশা ফিরে এসে,
সেই যে গেল আর এলো না, সে করে চাতুরি।


অভাগিনীর দুঃখের কথা কইও বন্ধুর কাছে,
সংবাদ নিয়ে এসো কোকিল বন্ধু কেমন আছে,
এ নিবেদন করে বলন, এসো তাড়াতাড়ি।

উড়ে উড়ে যাও কোকিল প্রাণ বন্ধুয়ার বাড়ি
উড়ে উড়ে যাও কোকিল প্রাণ বন্ধুয়ার বাড়ি


বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৭

#আধ্যাত্মিকগান #ভক্তি #সুফি #বলনকাঁইজি #ধ্যান #আত্মজাগরণ

👉 এই নিখিল সংসারের মাঝে দূরে নয় কাঁইয়ের বসত বাড়ি | বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৪


কাঁইয়ের বসতবাড়ি নিকটে

(Kai's homestead near)
নির্মাণ: ২৮/০৪/২০১৮, ছিদ্দিক বাজানের বাড়ি, ফায়েদাবাদ, উত্তরা, ঢাকা
রাগিণী: —
তাল: —


এই নিখিল সংসারের মাঝে,
দূরে নয় কাঁইয়ের বসত বাড়ি,
দূরে নয় বৈঠকঘর সাক্ষাতঘর,
সবই আছে অতি কাছে।।



দেহের মাঝে অন্ধকার খাড়ি,
সেথায় কাঁইয়ের বসত বাড়ি,
আপন ঘর আপনি গড়ি,
নীর আকারে বসে আছে।



সেথায় যেতে তিনটি বাধা,
সহজে তা যায় না সাধা,
কেউ কেউ সাধে আধা আধা,
কিঞ্চিৎ জানতে পারে পাছে।



বলন কাঁইজি বসে ভনে,
ওরে মুক্ত জ্ঞানে মুক্ত মনে,
যে নেমেছে কাঁইয়ের সন্ধানে,
কাঁইয়ের বাড়ি সে চিনেছে।

👉 এই নিখিল সংসারের মাঝে দূরে নয় কাঁইয়ের বসত বাড়ি | বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৪
বলন তত্ত্বাবলী


বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৪

#বলনকাঁইজি #আধ্যাত্মিকতা #সুফিবাদ #কাঁই #তত্ত্বাবলী #ধ্যান #আত্মজাগরণ

নাম জপ দ্বারা বস্তু পাওয়া যায় না | বলন তত্ত্বাবলী থেকে শিক্ষা

নাম জপ দ্বারা বস্তু পাওয়া যায় না

নির্মাণ তারিখ: ৩১ মার্চ, ২০০৯ | স্থান: নেংটার দরবার, বেলতলী, মতলব, কুমিল্লা
সূত্র: বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৯


বলন গীতি

চাঁদকে কেউ চাঁদ ডাকলে,
চাঁদে কী আর কথা কয়,
দৃশ্যাদৃশ্য বিধির বিধান,
মহাশূন্যে ভেসে রয়।


যেথার বস্তু সেথা রইলে,
কী হবে ছাই নাম জপলে,
নামীরা নাম করে লীলে,
তাতে কী আর বস্তু পায়।


উপবীত কী জপমালা,
হরে কৃষ্ণ জপ নিরালা,
নেচে গেয়ে জপে ভালা,
শেষকালে ফল একই হয়।


বলন কাঁইজি বসে ভনে,
নামীরা রয় ডুবে নামে,
বাঘে মারে দূর্বাবনে,
শেষে করে হায়ঃ হায়ঃ।


নাম জপ দ্বারা বস্তু পাওয়া যায় না | বলন তত্ত্বাবলী থেকে শিক্ষা
Spiritual Path

আধ্যাত্মিক বিশ্লেষণ

কবিতায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, শুধু নাম জপ করে ভৌত বস্তু পাওয়া যায় না। যেমন—

  • চাঁদকে ডাকলে সে উত্তর দেয় না।

  • বস্তু যেখানে আছে, নাম জপ করে সেখানে পৌঁছানো যায় না।

  • জপমালা বা উপবীত ব্যবহার করে chanting করলেও বস্তুগত ফল এক নয়।

এখানে মূল বার্তা হলো—নাম জপ হলো আত্মিক জাগরণ ও ঈশ্বরচেতনার জন্য, বস্তুগত প্রাপ্তির জন্য নয়।


শিক্ষণীয় দিক

  1. আধ্যাত্মিকতা বনাম বস্তুবাদ – নাম জপ আত্মাকে শুদ্ধ করে, কিন্তু সম্পদ দেয় না।

  2. আসক্তি থেকে মুক্তি – বস্তু নয়, বরং চেতনার উন্নতিই আসল লক্ষ্য।

  3. সচেতন সাধনা – অন্ধ অনুকরণে নয়, জ্ঞানের আলোয় নাম জপ করা উচিত।


উপসংহার

“নাম জপ দ্বারা বস্তু পাওয়া যায় না”—এ শুধু একটি কবিতা নয়, বরং আধ্যাত্মিক জগতের গভীর শিক্ষা। বলন কাঁইজির এই বাণী আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ভক্তির পথ হলো মুক্তির পথ, ভোগের নয়।

কত মানুষ হাউস করে বাঁধছে সেথায় ঘর

কামনদী পাড়ের চোরাবালির চর

(12. The quicksand shelf of the bank of Styx)
নির্মাণ: ০৭/০৫/২০১৮, ভাড়া বাসা, আল-আমিন রোড, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:


কামনদীর পাড়ে জেগেছে চোরাবালির চর,
কত মানুষ হাউস করে বাঁধছে সেথায় ঘর।

সকল সাধু সন্ন্যাসী মুনি ঋষি কয়,
সেই নদীর চরে সদাই অপমৃত্যু হয়,
সেথায় পিতা-পুত্র সবাই মরে,
লোভে পাপে পরৎপর।


সেথায় আছে ভীষণ নরবলির ভয়,
একাকী চরে গেলে কারো রক্ষা নাই,
সেথায় আকর্ষণে দুষ্ট মারে,
এমনই সে কলা ধর।




নদীর আকর্ষণে সবাই হয় তল,
কাজে আসে না অর্থ কড়ি বল,
বলন কয় বাঁচতে হলে,
সাধক-গুরুর চরণ ধর।

কত মানুষ হাউস করে বাঁধছে সেথায় ঘর
কত মানুষ হাউস করে বাঁধছে সেথায় ঘর


বলন তত্ত্বাবলী ৩৬২

ঘর বেঁধেছে বড় ঘরামী লিরিক্স – আধ্যাত্মিক বাংলা গান | বলন তত্ত্বাবলী

ঘর বেঁধেছে বড় ঘরামী

(18. A big thatcher has built the house)
নির্মাণ: ভাড়া বাসা, মুসলিম নগর, মাতুয়াইল, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:

ঘর বেঁধেছে বড় ঘরামী

ঘর বেঁধেছে বড় ঘরামী


ঘর বেঁধেছে বড় ঘরামী (মজার)
জলের খুঁটি, বায়ুর রশি,
চামড়ায় দিয়ে ছাউনি। 


ঘরের মাঝে আড়া কষা,
চোর দস্যুদের যাওয়া–আসা,
তার মাঝে ঘরামী বসা, 
এমন বিষম করণি।

হাজার দুয়ারী বাতাসের ঘর
দুই দুয়ার বন্ধ আছে তার,
ঘরামীর আবাস তারই ভিতর,
জানে সাধক পারমী।

মাসে তিন দিন সে ঘর খুলে
শত সাধুরা দেখে অটলবলে,
বলন কয়রে হীন বলে,
খুলে না ঘরখানি।

বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৮

নবীর জন্ম পঞ্জিকা ও দেহতত্ত্ব | বলন দর্শনে নবজন্মের ব্যাখ্যা

নবীর জন্ম পঞ্জিকা

(17. Prophet's birth calendar)
নির্মাণ: ১৭/০৫/২০১৮, ভাড়া বাসা, আলামিন রোড, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:

কোন পঞ্জিকার কোন দিবসে শেষ অবতার জন্ম হয়
কোন পঞ্জিকার কোন দিবসে শেষ অবতার জন্ম হয়


কোন পঞ্জিকার কোন দিবসে,
শেষ অবতার জন্ম হয়?
শাস্ত্রীয়রা জন্ম দেখায় সৌর চান্দ্র পঞ্জিকায়,
দেহ পঞ্জিকার কথা কয় জন কয়।


হিন্দুর দেবতা মুসলিমের নবী যত,
দেহ পঞ্জিকা অনুসারে হয় উদয় অস্ত,
নিরালায় বসে জানতে হয় সমস্ত,
নইলে মেলে না ছাই।


শাস্ত্রীয় ভাইরাসে যাদের মাথা মোড়া,
তারা জানে না আগাগোড়া,
ভেঙে সব শাস্ত্রের বেড়া,
সঠিক শিক্ষা জানতে চাই।


শাস্ত্রের যতো পৌরাণিক নবী,
এই মানবদেহে রয়েছে সবই,
উপমিতভাবে খুঁজলে পাবে সবই,
বিনয় করে বলন কয়।

বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৭

পাগল করিয়া আমায় উদাসী করিয়া

বলন গীতি লিরিক্স

কৃষ্ণের বিচ্ছেদ বেদনা

The pain of Krishna's separation

নির্মাণ: ভাড়া বাসা, পশ্চিম জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:

পাগল করিয়া আমায় উদাসী করিয়া
পাগল করিয়া আমায় উদাসী করিয়া

কোথায় রইলে গো শ্যাম কালিয়া,
পাগল করিয়া আমায়, উদাসী করিয়া।
(শ্যাম কালিয়া)


পাশাখেলতে ফুলবনে,
নিত্য এসো নিধুবনে,
লালশালু পরিয়া।


আসবে আসবে বলে কালা,
ফুরিয়ে গেল যৌবনবেলা,
দেখা দাও আসিয়া।


বান্ধব নাই রে শ্যাম বিনে,
বলন কাঁদে ব্রজধামে,
দিবস জাগিয়া।

বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৬

আমার মায়ের মতো আপন কেহ না

মা হলেন সবচেয়ে আপন

(Mother is the nearest)

নির্মাণ: ২৫/০৬/২০১৬, ভাড়া বাসা, মুসলিম নগর, মাতুয়াইল, ডেমরা, ঢাকা
রাগিণী: —
তাল: —


আমার মায়ের মতো
আপন কেহ না,
আরে এ জগতে,
মায়ের মতো আপন কেহ না।


মাসী বলো পিসী বলো,
মায়ের মতো কেউ না,
মা জননী নাই যাহার,
সেই জানে বেদনা।


দিদি বৌদির অধিক প্রেমে,
থাকতে পারে ছলনা,
মা জননীর ভালোবাসার,
নাইরে কোনো তুলনা।


সুখে থাকি ভালো থাকি,
এই তো মায়ের কামনা,
অধীন বলন ভেবে কয়,
মায়ের ভজন ছেড় না।

আমার মায়ের মতো আপন কেহ না

মা হলেন সবচেয়ে আপন

বলন তত্ত্বাবলী ৩৫৩

কী সুখে রইয়াছে রাধা দেখে যাও আসিয়া

বলন গীতি লিরিক্স - রাধার কান্না 

নির্মাণ: ভাড়া বাসা, পশ্চিম জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা
রাগিণী:
তাল:

কী সুখে রইয়াছে রাধা দেখে যাও আসিয়া

বলন গীতি লিরিক্স - রাধার কান্না 



কৃষ্ণ কালিয়ারে শ্যাম কালিয়া,
কী সুখে রইয়াছে রাধা, 

দেখে যাও আসিয়া।

রোজ নিশিতে মথুরাতে দুয়ার খুলিয়া,
আসবে বলে শ্যামকালা থাকি বসিয়া,
তোমার দর্শন পাবার আশে,
চিত্ত যায় উড়িয়া।


নিধুবনে খেলব পাশা বুকে বুক মিশাইয়া,
প্রেমাগুন নিবারণ করব আলিঙ্গন করিয়া,
তোমার চরণ করব ভজন,
মাথার কেশে মুছিয়া।


বৃন্দাবনে তারার সনে নিশি জাগিয়া,
চন্দ্র তারার মালা গেঁথে রাখছি তুলিয়া,
রাঙাচরণ ভজব বলন, 

বুকেতে শোয়াইয়া।

বলন তত্ত্বাবলী ৩৬৫

আর কতদিন চেয়ে থাকবে মন

অমাবস্যায় শশী দৃশ্য

বলন গীতি

লেখক - মহাধীমান বলন কাঁইজি

বলন তত্ত্বাবলী

বলন তত্ত্বাবলী



অমাবস্যায় শশী দৃশ্য,

হয় না গগনে,

আর কতদিন চেয়ে থাকবে মন,

মরীচিকার পানে।



কুহেলিকা মায়ার সংসারে,

কারে পেলি আপন করে,

কাঁই বিনা কেউ নয় রে,

আপন ভুবনে।



চাতক রয় মেঘ ধিয়ানে,

চকোর রয় জ্যোৎস্না পানে,

কেউ কেউ পায় কর্মগুণে,

কয়েক জীবনে।



মায়াবী এ ভ্রমের উত্তরণ,

কবে করবে তাই ভাবে বলন,

কবে পাবে কাঁইয়ের চরণ,

কোন সাধনে।


----------------

বলন তত্ত্বাবলী

দ্বিতীয় অধ্যায়

১ নং বলন গীতি