আল্লাহ আল্লাহ জপনা - বলন গীতি

বলনগীতি: আল্লাহ আল্লাহ জপনা | মহাধীমান বলন কাঁইজি | একেশ্বরবাদ ও আধ্যাত্মিক গান (Lord Allah Chanting)

Bolon Giti Spiritual Songs Lyrics Bangla 

রচয়িতা: মহাধীমান বলন কাঁইজি

গ্রন্থ: বলন তত্ত্বাবলী (পৃষ্ঠা নং ৭১)

বলন গীতি নং: ৩৫
English Title: Lord (Allah) Chanting

ভূমিকা

এই বলনগীতিতে একেশ্বরবাদের গভীর তত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি ও ভাষায় সৃষ্টিকর্তাকে ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হলেও, মূল সত্তা এক ও অভিন্ন—এই সত্যটিই এখানে তুলে ধরা হয়েছে।


বলনগীতি লিরিকস


আল্লাহ আল্লাহ কয়জন বলে,

এ বিশ্ব ভূমণ্ডলে।

ঈশ্বর গড কেনো বলে,

ভূপতি এক আল্লাহ হলে।

বিশ্বজুড়ে কত শত জাতি,

কোটি নামে কত ডাকাডাকি,

প্রভু বিশ্বময়; বস্তুতে রয়,

মুখে ডেকে না মিলে।


আল্লাহ ডাক মুখে নিলে,

তাতে কী আল্লাহ মিলে,

কেন ভবময়; যবন রয়,

কী ঘটে কার কপালে।


আরবিরা যাকে আল্লাহ কয়,

সংস্কৃতিতে সেই ব্রহ্মা হয়,

বাঙালিরা কাঁই; ডাকে বাংলায়,

বলন কয় সৃষ্টিকর্তা মূলে।


দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা


এই গানে বলা হয়েছে—মানুষ বিভিন্ন নামে সৃষ্টিকর্তাকে ডাকে, যেমন “আল্লাহ”, “ঈশ্বর”, “গড”, “ব্রহ্মা” ইত্যাদি। কিন্তু নাম ভিন্ন হলেও সত্তা এক।


“মুখে ডেকে না মিলে”—এই লাইনটি বোঝায়, শুধু নাম জপ করলেই সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া যায় না; প্রয়োজন অন্তরের উপলব্ধি ও আত্মজ্ঞান।


এই গানের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে—ধর্ম, ভাষা বা জাতির ভেদাভেদ নয়, বরং সৃষ্টিকর্তার আসল উপলব্ধি হলো আত্মার গভীরে।


আধ্যাত্মিক তাৎপর্য


👉 সৃষ্টিকর্তা এক, নাম ভিন্ন

👉 মুখের জপ নয়, অন্তরের উপলব্ধিই আসল

👉 সব ধর্মের মূল লক্ষ্য এক—সত্যকে জানা


উপসংহার


“আল্লাহ আল্লাহ জপনা” বলন গীতি আমাদের শেখায়—নামের ভেদাভেদে নয়, বরং এক সৃষ্টিকর্তার সত্য উপলব্ধির মধ্যেই রয়েছে মানুষের মুক্তি।


বলন কাঁইজি




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন