সখী জলকে চল জলকে চল

বলন গীতি: গোকুলে জল আনতে যাওয়া | মহাধীমান বলন কাঁইজি | আধ্যাত্মিক প্রেম ও শ্যামের লীলা (Going to Bring Water at the Gokul)
বলন গীতি: গোকুলে জল আনতে যাওয়া

রচয়িতা: মহাধীমান বলন কাঁইজি

গ্রন্থ: বলন তত্ত্বাবলী (পৃষ্ঠা নং ৩৯১)
গীতি নং: ৪১
অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায়
English Title: Going to Bring Water at the Gokul


নির্মাণের সময় ও স্থান: ভাড়া বাসা, পশ্চিম জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা


ভূমিকা

এই গানে রাধা ও শ্যামের লীলা আধ্যাত্মিক প্রেমের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। শ্যামের উপস্থিতি, প্রেমের উত্সাহ এবং ভক্তির আনন্দ সবই এখানে প্রকাশিত হয়েছে।


বলন গীতি লিরিকস


সখী জলকে চল জলকে চল,
জলকে চল গোকুলে,
শ্যামের বাঁশি বাজে বাজেরে,
রাধা রাধা বলে।


কুঞ্জবনে মধুর হাঁড়ি,
পায়ের নিচে গড়াগড়ি,
মধু খেয়ে উজাড় করি,
শূন্য হাঁড়ি যায় ফেলে।


শ্যাম এলে নিধুবনে,
আয়ন তারে শত্রু জানে,
শ্যাম বিনা এ ব্রজধামে,
গমনে কী ছাই মিলে।


বলন কয় যার শ্যাম জ্বালা,
সে কী গোণে জপমালা,
দিবা-নিশি রয় উতলা,
প্রেমের মালা নেয় গলে।


আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক ব্যাখ্যা


“গোকুলে জল আনতে যাওয়া” লীলা ও প্রেমের মাধুর্যকে আধ্যাত্মিক প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে।  
শ্যামের উপস্থিতি প্রেম ও ভক্তির উত্সাহ বৃদ্ধি করে, এবং ভক্তের জীবনে আনন্দ ও চৈতন্যের সূচনা করে।


“বলন কয় যার শ্যাম জ্বালা”—যে ভক্ত হৃদয়ে শ্যামের প্রতি পূর্ণ প্রেম ও নিবেদন রাখে, সে দ্যা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে প্রেম ও সাধনায় পরিপূর্ণ করতে পারে।


উপসংহার


“গোকুলে জল আনতে যাওয়া” বলনগীতি আমাদের শেখায়—ভক্তি, প্রেম এবং লীলার আনন্দ অন্তরের চেতনার আলো জ্বালায় এবং জীবনের সঠিক দিশা দেখায়।





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন