বলন দর্শন

'বলন দর্শন' বলতে মূলত আধ্যাত্মিক গুরু ও লেখক বলন কাঁইজি লেখা ও চিন্তাধারাকে বোঝানো হয়, যা আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, আধ্যাত্মিকবিদ্যা, দিব্যজ্ঞান ও নরত্বারোপের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। 

এটি একটি বিশেষ আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চিন্তাধারার নাম, যা  বলন কাঁইজি প্রণীত বিভিন্ন লেখা ও কাজের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছে।  

বলন কাঁইজি এবং তার দর্শন প্রণেতা: বলন কাঁইজি নিজই  এবাং তিনি একজন মহাসাধক, লেখক, গবেষক, এবং আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।  

বিষয়বস্তু: তার দর্শন বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক তত্ত্ব নিয়ে গঠিত, 

যার মধ্যে রয়েছে: আত্মদর্শন ও 

আত্মতত্ত্ব: নিজের স্বরূপ ও সত্তার গভীর অনুসন্ধান।  

দেহতত্ত্ব: শরীর ও এর আধ্যাত্মিক দিক সম্পর্কিত জ্ঞান।  

আধ্যাত্মিকবিদ্যা ও দিব্যজ্ঞান: আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও উচ্চতর উপলব্ধি।  

নরত্বারোপ: মানুষ ও তার দেবত্ব সম্পর্কিত ধারণা।  

প্রচলন: বলন কাঁইজির দর্শন সাধারণত ফেসবুক এবং বিভিন্ন প্রকাশনা, যেমন রকমারি.কম-এর মাধ্যমে প্রচার ও আলোচিত হয়। 

তার লেখাগুলো, যেমন 'ত্বরিক্বত দর্শন', এই দর্শন চর্চার অংশ।  

সংক্ষেপে, 'বলন দর্শন' হলো বলন কাঁইজির আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চিন্তাভাবনার একটি সমন্বিত রূপ, যা মানুষের আধ্যাত্মিক বিকাশ ও আত্ম-উপলব্ধির পথ নির্দেশ করে।



আল্লাহর কিতাব জাগ্রত মানুষের হৃদয়!

এবার স্পষ্ট বলি—ভুল বুঝলে দায় তোমার।
আল্লাহর কিতাব কোনো বাজারি পুস্তক নয়
যেটা হাতে ধরলেই হেদায়েত নিশ্চিত।
আল্লাহর কিতাব হলো—
উত্তম মানুষ।
যার বিবেক মরে গেছে,
যার চিন্তা ভাড়া দেওয়া,
যার বুদ্ধি অন্যের হাতে বন্দী—
সে হাজার কিতাব বয়ে বেড়ালেও
সে কিতাব বোঝে না।
শয়তান কোথায়?
মাটির নিচে না, আকাশে না—
মানুষের অসত্য চিন্তার মধ্যেই শয়তান।
অজ্ঞতা = শয়তান
পাপপ্রবৃত্তি = ইবলিশ
এই সত্য বুঝতে না পারাই
সবচেয়ে বড় পথভ্রষ্টতা।
আজ শয়তান আর আগুনের তৈরি দানব নয়—
সে বক্তৃতা দেয়, ফতোয়া বানায়,
মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে
বিধানের নামে দাস বানায়।
আল্লাহর নামে কথা বলে
আল্লাহকে বাদ দেওয়ার এই খেলাই
সবচেয়ে বড় প্রতারণা।
যে বলে—
“কোরআনের বাইরে তুমি কিছু নও”
সে আসলে বলে—
“তোমার বিবেক দরকার নেই।”
এইখানেই শয়তানের বিজয়।
আজ যারা প্রশ্ন করলে কুফর বলে,
বিবেক জাগালে ফিতনা বলে—
তারাই ইবলিশের সফল প্রতিনিধি।
এই কথা বললেই বলা হবে—
“তুমি এটা মানো না, ওটা মানো না।”
হ্যাঁ।
আমি অন্ধত্ব মানি না।
আমি মানুষত্বের বিরুদ্ধে কোনো বিধান মানি না।
কারণ আল্লাহর কিতাব কোনো কাগজে নয়—
আল্লাহর কিতাব জাগ্রত মানুষ।

✍️গীতিকার মো:কলিমুল্লাহ হক